ঢাকা : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, বুধবার, ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > শুভ জন্মদিন অধিনায়ক: হাবিবুল বাশারের ক্যারিয়ারের যত সাফল্য

শুভ জন্মদিন অধিনায়ক: হাবিবুল বাশারের ক্যারিয়ারের যত সাফল্য

বাংলাদেশের ক্রিকেটের সফলতার প্রারম্ভ খুজতে গেলেই তার নামটা সবার আগে আসবে। একজন সফল ক্রিকেটার, টেস্ট কিংবা ওয়ানডেতে নির্ভরতার প্রতীক ও অধিনায়কের নাম হাবিবুল বাশার।

১৯৯৫ সালে শ্রীলংকার সাথে অভিষেক তার। অভিষেক ম্যাচে ৩ নাম্বারে ব্যাট করে ৩ চারে ১৬ রান করেন তিনি। সে ম্যাচে বাংলাদেশ ১০৭ রানে পরাজয় বরণ করে। তারপর ক্যারিয়ারে ২টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ সহ মোট ১১১ টি আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৭৮ বেস্টে ১৪টি ফিফটিতে ২১৬৮ রান সংগ্রহ করেন তিনি। সর্বশেষ ২০০৭ সালের বিশ্বকাপের পর ভারতের সিরিজেই নিজের শেষ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেন তিনি। সে ম্যাচেও দলের হয়ে ৪৩ রান করেন।

২০০৭ বিশ্বকাপে বাশারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ দল প্রথমবারের মতো সুপার এইটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। প্রথম রাউন্ডে ভারত এবং সুপার এইটে আফ্রিকার মতো দলকে পরাজিত করে।

২০০০ সালে বাংলাদেশের প্রথম টেস্টে ম্যাচেই ভারতের বিরুদ্ধে অভিষেক তার। অভিষেট টেস্টের ১ম ইনিংসেই ৭১ রান করেন তিনি। প্রথম ইনিংস এ বাংলাদেশ ৪০০ রান সংগ্রহ করলেও দ্বিতীয় ইনিংস এ মাত্র ৯১ রানে অলআউট হওয়ার কারনে ম্যাচটি ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারতে হয়। তারপর দলের হয়ে ৫০টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন তিনি। দলের হয়ে ১১৩ বেস্টে ২৪ ফিফটিতে সর্বমোট ৩০২৬ রান সংগ্রহ করেন তিনি। টেস্টে নিয়মিত ফিফটি করার কারনে তার নাম মি. ফিফটিই হয়ে গিয়েছিল।

২০০৮ সালে আফ্রিকার সাথে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচ খেলেন তিনি। এ ম্যাচে দুই ইনিংস এ মাত্র ১৩ রান সংগ্রহ করেন তিনি।তারপর অপ্রত্যাশিত ভাবে বাশার আইসিএল এ চলে যাওয়ার পর নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে উঠলেও আর দেশের হয়ে খেলার সুযোগ হয়নি তার।

২০০৩/০৮ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত মোট ১৮ টেস্টে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে ১ জয় ও ১৩ হারের বিপরীতে ৪টি তে ড্র করেন তার সময়ে।

২০০৪ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত মোট ৬৯ টি ওয়ানডে ম্যাচে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে ২৯টি জয়ের বিপরীতে ৪০টি ম্যাচ হারতে হয় তার সময়ে।

নিজে ভালো ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি দলকে ধারাবাহিকতায় এনেছিলেন তিনি। তার সময়েই মোহাম্মদ আশরাফুল দূর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছিলেন। শাহরিয়ার নাফিজ, তামিম-সাকিব-মুশফিক, শাহাদাত, রাসেল সহ অনেক দূর্দান্ত ক্রিকেটার এর আবির্ভাব হয়েছিল, যারা এখন বর্তমান সময়ের সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন।

২০১০ সালে শেষ ডমেস্টিক ম্যাচ খেলার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ক্রিকেটের প্রতি তার অবদানের ফল স্বরূপ ২০১১ সালে নির্বাচক হিসাবে আবির্ভূত হয়ে অদ্যাবধি পর্যন্ত তার দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটে অসাধারণ অবদানের কারনে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা আজীবন মনে রাখবে তার নাম।

আজ হাবিবুল বাশারের জন্মদিন। জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইল। বাংলাদেশ ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে পূর্বের চেয়েও আরো বেশি ভূমিকা রাখবেন, এই প্রত্যাশা।

জুবায়ের আহমেদ

ক্রীড়া লেখক

এ সম্পর্কিত আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *