ঢাকা : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, বুধবার, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > শীর্ষ সংবাদ > দ্বিপাক্ষিক কোন চুক্তিতে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দেয়া হয়নি

দ্বিপাক্ষিক কোন চুক্তিতে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দেয়া হয়নি

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দেয়া হয়নি। রাজধানীর ইস্কাটনে বিআইআইএসএস মিলনায়তনে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সংযোগ বিষয়ক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারে বক্তারা বলেন, জাতীয় ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা ছাড়া, আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তির সুফল আসবে না। তবে বাণিজ্য মন্ত্রী বলছেন, প্রধান বিরোধী দলের সাথে রাজনৈতিক ঐকমত্য না থাকলেও জাতীয় স্বার্থে দু দলের মধ্যে মত পার্থক্য নেই।

ভূ-রাজনৈতিক ও ভৌগলিক অবস্থানগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। অথচ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্যমত্য না থাকায় আঞ্চলিক সংযুক্তি বাড়িয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ নিতে পারছেনা বাংলাদেশ। বরং দিন দিন বাড়ছে বহিরাগত শক্তিগুলোর খবরদারি। রাজধানীতে আয়োজিত আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সংযোগ বিষয়ক এক সেমিনারে বারবারই এমন অভিমত উঠে আসে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্যে।

চীন ও ভারতের বৈরি সম্পর্কের কারণে বাণিজ্য বাড়াতে দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর দিকে নজর দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি আঞ্চলিক সংযোগের সুফল পেতে অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপন ,ব্যবসার খরচ কমানোর পাশাপাশি সুশাসন নিশ্চিত ও দুর্নীতি কমানোর তাগিদ দেন তারা।

সেমিনারে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ বলেন, ট্রানজিট চুক্তিসহ ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তির ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশই লাভবান হয়েছে। তবে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের দাবি, কোথাও দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দেয়া হয়নি।

কামাল ইবনে ইউসুফ বলেন, ‘বর্তমান সময়ে ভারতের সঙ্গে করা কোন চুক্তিতেই বাংলাদেশের স্বার্থ যথাযথ বিবেচনায় নেয়া হয়নি। ট্রানজিট চুক্তি শুধুমাত্র রাজস্ব আদায়ের জন্যই নয় বরং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোই বড় লক্ষ্য। তাই এই চুক্তির বিষয়ে রাজনৈতিক কোন স্বার্থ যাতে কাজ না করে সে বিষয়ে খেয়াল রাখা দরকার।’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো দাবি করেন, বাংলাদেশের অগ্রগতি ঈর্ষনীয় হওয়ায় অ্যাকর্ড ও এলায়েন্সের মতো অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা এখানে মাথা ঘামাচ্ছে। তবে পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণসহ দেশীয় শিল্প বিকাশে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *