ঢাকা : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, বুধবার, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > তাসকিনের চোখে অস্ট্রেলিয়া বনাম বাংলাদেশের পেস আক্রমণ

তাসকিনের চোখে অস্ট্রেলিয়া বনাম বাংলাদেশের পেস আক্রমণ

গত জানুয়ারিতে ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়েছে তাসকিন আহমেদের। ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারত-শ্রীলঙ্কাতেও টেস্ট খেলেছেন বাংলাদেশ দলের ২২ বছর বয়সী পেসার। কিন্তু তাঁর এখনো খেলা হয়নি দেশের মাঠে একটি টেস্টেও। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যদি একাদশে সুযোগ পান, দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলা হবে তাসকিনের।

ঘরের মাঠের এই লড়াইয়ে যদিও স্পিনাররাই দলের মূল ভরসা বলে বিবেচিত, তবে তাসকিন জানালেন, পেসাররা তূণে নতুন নতুন তির সাজিয়ে হাজির হবে। অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিংকে এগিয়ে রেখে তাসকিনের মন্তব্য, ‘ওদের তুলনায় আমরা একটু পিছিয়ে। তবে আমরা আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় আছি। রিভার্স সুইং বা সুইং—গত দেড় মাসে সবকিছু নিয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করছি, আগে যা করতে পারিনি, এবার সেটা আমরা কাজে লাগাতে পারব।’

২০১৪ সালের জুনে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর গত তিন বছর সীমিত ওভারের ক্রিকেটে মূলত দেখা গেছে তাসকিনকে। বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে সুযোগ পেতে তাঁকে বেশ অপেক্ষাই করতে হয়েছে। আগেও বলেছেন, টেস্ট খেলাটা তাঁর কাছে স্বপ্নের মতো। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে সুযোগ পেয়ে তাই রোমাঞ্চিত তাসকিন, ‘বাংলাদেশ দলে অনেক দারুণ পেসার আছে এখন। আমাদের নিজেদের মধ্যে এখন অনেক প্রতিদ্বন্দ্বিতা। টেস্ট স্কোয়াডে থাকতে পারলে অন্য রকম শান্তি লাগে। অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে থাকতে পারে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।’

গত বছর অক্টোবরে শোনা গিয়েছিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক হতে পারে তাসকিনের। তখন কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বলেছিলেন, এখনো তাসকিন ফিট নন টেস্টের জন্য। এরই মধ্যে সেই তাসকিনের খেলা হয়ে গেছে ৪ টেস্ট। ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণ নিয়ে এখন তাঁর উপলব্ধি, ‘বেশি টেস্ট খেলিনি। চারটা ম্যাচ খেলে আমার মনে হয়েছে, এই সংস্করণটা অনেক কঠিন। এটা কঠিন একটা জায়গা। এখানে ফিটনেস ও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হয়। ধৈর্য ও স্কিল ধরে রাখতে হয়। খেলতে হয় পরিকল্পনা অনুযায়ী।’

প্রতিপক্ষের প্রতিটি উইকেটই গুরুত্বপূর্ণ। তবে কার উইকেটটা নিতে পারলে বেশি খুশি হবেন তাসকিন? কৌশলী বোলিংয়ের মতোই তাঁর উত্তর, ‘টেস্ট ক্রিকেটের প্রত্যেকটি উইকেটই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের টপ অর্ডারের সবাই খুব ভালো ছন্দে আছে। স্বপ্নের উইকেট বলতে ওয়ার্নার-স্মিথ আছে। ওদের নতুনেরাও ভালো করছে। সুযোগ পেলে একটা ম্যাচ জেতানো স্পেল করতে চাই।’

ম্যাচ জেতানো স্পেলটা কেমন হতে পারে, কল্পচোখে সেটিও একবার দেখে নিলেন তাসকিন, ‘ম্যাচ জেতানো স্পেল মানে পাঁচ-সাত উইকেট নেওয়া নয়। দেখা গেল স্পিনাররা পাঁচ-সাতটা উইকেট নিয়েছে। কিন্তু একটা জুটি দাঁড়িয়ে গেছে। সেটা ভেঙে দিলাম, দুটি উইকেট নিয়ে নিলাম। যা দলকে উপকারে দেবে। এমন কিছুই করতে চাই।’

এ সম্পর্কিত আরও