ঢাকা : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, বুধবার, ২:১১ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > সারাদেশ > শরীয়তপুরে শিশুদের ধরে নিয়ে ত্রাস ছড়াচ্ছে একটি চক্র

শরীয়তপুরে শিশুদের ধরে নিয়ে ত্রাস ছড়াচ্ছে একটি চক্র

শরিয়তপুর প্রতিনিধি, বিডি টোয়েন্টিফোর টাইমস  :  শরিয়তপুরে আতংক সৃষ্টি করে যাচ্ছে একটি চক্র। যেখানে তারা ৫ থেকে১২ বছর বয়সী শিওদের অপহরণ করে রীতিমত এলাকায় ত্রাস তৈরি করেছে। যারা  এখন সরাসরি বিভিন্ন পরিবারে থ্রেট দিচ্ছে, যাদের ছোট ছোট বাচ্চা আছে তাদের পরিবারে টাকা দাবি করছে  বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কিছুদিন আগে এক পরিবারে দুই শিশুর বাবার কাছে চার লক্ষ টাকা দাবি করেছে। না দিলে বাচ্চা দুটোকে ধরে নিয়ে যাবে। শুধু তাই নয় “এটি এখন আর শিশুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই,, শিশু পেরিয়ে যুবতী বা তরুণীদের মধ্যেও ছড়িয়েছে।

 

নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে নাম প্রকাশে ইচ্ছুক এক ব্যাক্তি জানিয়েছেন সেধরণেরই একটি ঘটনা। যেখানে তিনি বলেন-  আমার পরিচিত এক দিদি যাকে পূজা দি বলে ডাকি , আমার আপুর বান্ধবী ওনার সাথে এরকম এক ভয়ানক ঘটনা ঘটতে যাচ্ছিল। ওনার বাসা মনোহর বাজার। দিদি ওখান থেকে অটোতে উঠে শরিয়তপুর এর দিকে যাচ্ছিলেন,, হঠাৎ একজন বোরখা পরা মহিলা উঠে অটোতে বসে। এর কিছুক্ষণ পর মহিলা দিদির নাকের কাছে রুমাল ঝারা দেয়, এতে উনার মাথা ঝিমঝিম করতে থাকে, এর একটু পরেই মহিলা দিদির রানে জোরে থাপ্পড় মারে আর ওনাকে বকাঝকা করে এবং খুব সাবধানে যাতে অটোওয়ালা টের না পায়।

অটো ঠিক মোহনা ক্যাফের সামনে আসার পর পর দিদি নামার চেষ্টা করে কিন্তু ঐ মহিলা ওনার হাত ধরে বসে। দিদি অনেক কষ্ট করে জোরে গোঙরানি দিতে পারায় অটোওয়ালা পিছন দিকে তাকায় আর ঐ মহিলাকে বলে ওনার হাত ধরে রেখেছেন কেন? ওই মহিলা যদি পরে না উঠে একসাথে অটোতে উঠত তাহলে হয়ত অটোওয়ালা সন্দেহ ই করত না। তাহলে দিদির কি অবস্থা হোত? ঐ মহিলাকে কি ধরা গিয়েছে কিনা তা সঠিক জানি না তবে দিদি এরপর অনেক কষ্টে হেটে বাড়ি পৌছায় কিন্তু রাস্তায় তার হাঁটার অবস্থা দেখে বাজারের লোকজন বকাঝকা করেছে, বড় মেয়ে কেমন করে হেঁটে যাচ্ছে বলে। বাড়ির উঠোন পর্যন্ত গিয়ে দিদি পরে যায়, তারপর দুদিন পর তার ঠিকমত সেন্স ফিরে আসে।

এতসব ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও আইন, প্রশাসন নিরব। তাই নিজের সেফটি নিজের নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। শরীয়তপুর গামী সকল মেয়েদের সাবধান হওয়া উচিত। রাস্তায় এরকম কোন ঘটনা ঘটার সময় কেউ সামনে রুমাল ঝাড়া দিলে সঙ্গে সঙ্গে নিশ্বাস টা বন্ধ করে ফেলবেন। সাথে সবসময় একটা এন্টিকাটার রাখবেন( আমি রাখি সবসময়)।আর সবাই একটু সচেতন থাকবেন। এর চেয়ে বেশি টিপস যদি আপনাদের কারো কাছে থাকে তাহলে মন্তব্য করতে পারেন। আর হ্যাঁ এসব সমস্যা ততক্ষণ পর্যন্ত নির্মূল করা সম্ভব নয় যতক্ষণ পর্যন্ত রাষ্ট্র এর দায় না নেয়। তাই সকলের প্রতি আহবান রইল যাতে এই চক্রের বিরুদ্ধে প্রশাসন সুষ্ঠু পদক্ষেপ নেয় সেই দাবিতে একত্রিত হতে পারেন।

 

এ সম্পর্কিত আরও