রবিবার , অক্টোবর ২২ ২০১৭
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ / রাজনীতি / সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এ.টি.এম লুৎফর রহমান (দিলু)

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এ.টি.এম লুৎফর রহমান (দিলু)

প্রকাশিত :

মো জহির রায়হান, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ-সলঙ্গা) সংসদীয় আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন চান বিশিষ্ট সমাজসেবক, সফল রাজনীতিবিদ ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব এ.টি.এম. লুৎফর রহমান (দিলু)।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে যে কয়েক জন নেতা সিরাজগঞ্জ জেলায় মাঠে থেকে দলীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন তার মাঝে অন্যতম হলেন- এ.টি.এম. লুৎফর রহমান (দিলু)। তিনি ১৯৫৫ সালে ২০ এপ্রিল রায়গঞ্জ উপজেলার অর্ন্তগত ধুবিল ইউনিয়নে চৌধুরী ঘুঘাট গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ ছিলেন সলঙ্গা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক, পাশাপাশি তিনি ১৯৭২ সাল হতে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সরকারের রিলিফ এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন কমিটির ধুবিল ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান। তিনি তার ৮ ছেলেমেয়ে মধ্যে সকলকেই সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। বাবার আদর্শে আদর্শিত লুৎফর রহমান দিলু ১৯৮০ সালে অর্থনীতিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। পরিবারের একজন পথভ্রষ্ট ব্যক্তি ব্যতীত সকলেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী। তার একজন ভাগ্নে ইলিয়াস আকন্দ সলঙ্গা থানা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য, অন্যজন হুমায়ুন কবির সোহাগ সলঙ্গা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক।

রাজনৈতিক জীবনে এ.টি.এম. লুৎফর রহমান (দিলু) চৌধুরী ঘুঘাট ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সদস্য, ধুবিল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য, সলঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ও সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কমিটির অন্যতম একজন সদস্য ছিলেন। ২০০১ সালে নির্বাচনের পর দলের প্রয়োজনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী (ততকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী) দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী সিরাজগঞ্জের কিংবদন্তি প্রয়াত নেতা জনাব আব্দুল লতিফ মির্জা সাহেবের তত্ববধায়নে ততকালীন বিএনপি-জামায়াত চার দলীয় জোট সরকার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।

তিনি উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বারখ্যাত হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় হরতাল-অবরোধ, টেকনাফ-তেতুলিয়া মানববন্দন কর্মসূচী এবং গোল চত্বর-চান্দাইকোনা এলাকায় মাননীয় নেত্রীর যে সকল বিশাল বিশাল জনসভা হয়েছে তার একজন সংগঠক হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত স্বৈরাচারী চার দলীয় জোট সরকারের নির্যাতনের শিকার রায়গঞ্জ, তাড়াশ এবং সলঙ্গা থানার আওয়ামীলীগের ব্যাপক সংখ্যক নেতাকর্মীর হাসপাতালে চিকিৎসা ও মামলা মোকদ্দমার খরচ বহন করেন। ২০০৩ সালে প্রলয়ংকরী বন্যায় আওয়ামীলীগের অগনিত নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে অত্র এলাকায় আওয়ামীলীগের ব্যানারে বিশাল আকারে ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।

একটি সময় রায়গঞ্জ-তাড়াশ এবং সলঙ্গা বিএনপির স্থায়ী আসন হিসেবে পরিচিত ছিল। দিলু সাহেবের অক্লান্ত পরিশ্রম, সামাজিক ও অর্থনেতিক কর্মকান্ডের জন্য মানুষের মধ্যে আওয়ামীলীগের গণ জাগরণ সৃষ্টি হয় এবং তার ফলশ্রুতিতে ২০০৮ জাতীয় নির্বাচনে প্রয়াত সাংসদ জনাব ইসহাক হোসেন তালুকদার বিশাল ভোটের ব্যবধানে আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এ.টি.এম. লুৎফর রহমান (দিলু) ২০০৮ এবং ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি ছিলেন। কিন্তু ২০০৮ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রয়াত নেতা ইসহাক হোসেন তালুকদারকে মনোনয়ন দিলে তিনি মাঠে থেকে নৌকা প্রতিককে বিজয়ের জন্য কাজ করেন এবং ২০১৪ সালে বর্তমান এমপি জনাব ম.ম. আমজাদ হোসেন মিলনকে মনোনয়ন দিলেও তিনি দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নেন। আগামী ২০১৯ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে দলকে সংগঠিত করার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করছেন সিরাজগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসনে আওয়ামীলীগ দলের জন্য স্থায়ী আসন করার প্রত্যয়ে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। এ.টি.এম. লুৎফর রহমান (দিলু) একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রতিবেদককে বলেন- “আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে কঠোর ভাবে মেনে চলার চেষ্টা করি। জননেত্রী শেখ হাসিনা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাকে মনোনয়ন দিলে নৌকা প্রতিককে বিপুল ভোটে জয়ী করে তাকে উপহার দিব এবং ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করব”।

রায়গঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব নাজির বলেন- “দিলু ভাই একজন অত্যন্ত কর্মী প্রিয় মানুষ, তিনি তাড়াশ-রায়গঞ্জ-সলঙ্গা সংসদীয় আসানের একজন যোগ্য মনোনয়ন প্রত্যাশী”। সোনাখাড়া সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আমজাদ হোসেন সানা বলেন- “সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতিককে বিজয়ী করার জন্য দিলু ভাইয়ের বিকল্প নাই। দিলু ভাই ছাড়া অন্য কাউকে মনোনয়ন দিলে উক্ত আসনে পরাজিত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে”।

জনাব লুৎফর রহমান দিলু সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে সলঙ্গা সমাজকল্যান সমিতির পাকা দালান নির্মাণ, মসজিদ নির্মাণ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, কবরস্থান, ঈদগাহ্, মন্দির, শ্মশান নির্মাণে ও পরিচালনায় অর্থ সাহায্য, দুঃস্থ্যদের মাঝে টিউবওয়েল, সিনেটারী ল্যাট্রিন ও গরু বিতরণ, মানবিক সহায়তা প্রদান সহ বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণের কারণে একজন আদর্শ সমাজসেবক হিসেবে জনগনের কাছে সমাদৃত। বর্তমানে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি সিরাজগঞ্জ জেলা ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য এবং সিরাজগঞ্জ শুটিং ক্লাবের আজীবন সদস্য। পারিবারিক জীবনে তিনি দুই মেধাবী সন্তানের জনক। তার ছেলে প্রফেশনাল এ্যাকাউন্টিং বিষয়ে কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অস্ট্রেলিয়াতে অধ্যয়নরত আছেন। তার মেয়ে বাংলাদেশে ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স বিষয়ে  ডিগ্রী অর্জন করেন ও অস্ট্রেলিয়াতে এম.এস.সি সম্পন্ন করেন এবং টেক্সাস ইউনিভার্সিটিতে পুনরায় এম.এস.সি সম্পন্ন করে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়াতে বসবাস করেন।

 

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

খালেদা জিয়ার বাসভবনে ‘বৈঠক করবেন’ সুষমা

বাংলাদেশে সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বৈঠক নিয়ে গুঞ্জন …