Mountain View

ইসরায়েলের মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৫ বছর: ইরানের সেনাপ্রধান

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ at ৭:৫৫ অপরাহ্ণ

 

ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আব্দুল রাহিম মুসাভি বলেছেন, ইসরায়েল ২৫ বছরের বেশি টিকবেনা। তারা যদি কোনো ভুল করে তবে মাটিতে মিশিয়ে দেবে ইরান। সোমবার এমন’ই এক কড়া মন্তব্য করেছেন তিনি। তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে রাশিয়ান টেলিভিশন (আরটি)। এবছরেরই আগস্টে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পান মুসাভি।

জানা গেছে, ইতোপূর্বে ইরানের সের্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আল-খামেনিও সাম্প্রতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মত দিয়েছেন যে, ইসরায়েলের মেয়াদ আর সর্বোচ্চ ২৫ বছর। মুসলিমদের প্রতি খামেনি আহ্বান জানান, যেন তারা জেরুজালেম দখলের জন্য যুদ্ধ এবং প্রতিরোধ অব্যাহত রাখে। জেরুজালেমকে একই সঙ্গে রাজধানী মনে করে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল।

গত ডিসেম্বরে এক টুইট বার্তায় খামেনি লিখেন, ‘যদি মুসলিমরা ফিলিস্তিনের সঙ্গে একাত্ম হয় এবং ইহুদি সাম্রারাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত রাখে তবে ২৫ বছরের মধ্যে এর কোন অস্তিত্ব থাকবেনা।’ ইরান ও ইসরায়েল প্রায় সময়ই একে অপরের দিকে উত্তপ্ত বাক্যবাণ ছুঁড়ে দেয়। এবছরের জুন মাসে ইরানের পবিত্র আল-কুদস দিবসে ইরানীরা ইসরায়েল বিরোধী বিশাল বিক্ষোভের আয়োজন করে। এদিন তারা ইসরায়েল বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং এর ধ্বংস কামনা করে।

এদিকে, ইসরায়েলও ইরানের বিরুদ্ধে সবসময় তীব্র ভাষায় কথা বলে। গত এপ্রিলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এভিগডর লিবারম্যান বলেছিলেন, ‘আসছে ১৯ মে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় যদি কেউ দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানীকে হত্যা করে, তবে আমি অবাক হবোনা।’ গত মার্চে ইসরায়েলী গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ইয়োসি কোহেন ইরানকে ইসরায়েলের প্রধান শত্রু হিসেবে অভিহিত করেন।

১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী পূনর্জাগরণের মধ্য দিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কে অবনতি ঘটে। সে সময় থেকেই এই দুই দেশ একে অপরের সঙ্গে সকল ধরণের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। ফিলিস্তিনের হামাস এবং লেবাননের গেরিলা গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে ইরান সহযোগিতা করছে বলে ইসরায়েল বারাবরই অভিযোগ করে আসছে। আর ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের অভিযোগ, দেশটি মুসলিমদের কোনঠাসা করার চেষ্টা করছে এবং ইরান বিরোধী সংগঠনগুলোর নেপথ্য শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

এ সম্পর্কিত আরও