ঢাকাঃ মঙ্গলবার , ২৪ অক্টোবর ২০১৭ ৫:২৭ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ / খেলাধুলা / দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়াইটাকে এগিয়ে রাখছেন মাশরাফি

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়াইটাকে এগিয়ে রাখছেন মাশরাফি

প্রকাশিত :


স্পোর্টস ডেস্ক,বিডি টোয়েন্টিফোর টাইমসঃ শেষবার যখন বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করেছিল তখন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের চিত্রটা ছিল ভিন্ন। দুই টেস্টের দুটিতেই হেরেছে ইনিংস ব্যবধানে। ঐবার বাংলাদেশ দলে ছিলেন বর্তমান ‘বিগ থ্রি’খ্যাত মুশফিক, সাকিব, তামিম। তবে বয়সে তরুণ ছিলেন তিনজন ক্রিকেটারই।বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে সফল হতে না পারলেও বল হাতে ঠিকই সফল ছিলেন সাকিব আল হাসান। দুই টেস্টেই পাঁচ উইকেট শিকার করেছিলেন সাকিব। ব্যাট হাতে দলের হয়ে সফল ছিলেন কিশোর মুশফিক। দুই টেস্টে করেছেন ১১৭ রান, রয়েছে ৬৫ রানের একটি ইনিংসও।প্রথম টেস্টে মাত্র ২ রান দূরে থেকে ৪৮ রানে আউট হয়েছিলেন মুশফিক। তবে সময়ের সাথে বদলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট, বদলেছে ‘বিগ থ্রি’ রাও। ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সাকিব থাকলেও, এবারে তাকে পাচ্ছেনা দল। ব্যক্তিগত কারণে টেস্ট থেকে বিশ্রাম নিয়েছেন তিনি।

তবে সেবারে তরুণ তামিম, মুশফিক বর্তমানে অনেক পাকাপোক্ত ক্রিকেটার, সাথে রয়েছে অভিজ্ঞতাও। একজন দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আরেকজন ডেপুটি হিসেবে কাজ করছেন। আসন্ন সিরিজে দলের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিক, তামিমকেই মূল দায়িত্বটা নিতে হবে।
সেবার দলে ছিলেন বর্তমান ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা। দীর্ঘ সময়ের পর গেলেও কন্ডিশনটা একটু পরিচিতই তার জন্য। দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জটা হবে পেস বোলিংয়ে। প্রোটিয়া কন্ডিশনে পেসারদের কাছে ভুগতে হবে ব্যাটসম্যানদের। পেস কন্ডিশনের সাথে তামিম-মুশফিকের পরিচিতিটা নতুন না হলেও সচারচর না খেলাতে খানিকটা সমস্যায় পড়তে হবে তাঁদের।
পেস কন্ডিশন মাথায় রেখেই টেস্ট দলে পাঁচ পেসার নিয়ে সাজিয়েছে দল। সেখানে মূল চ্যালেঞ্জটা যে পেসারদের জন্য হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। দ্বিমত পোষণ করছেন না মাশরাফিও। ওদের পেস বোলিং তামিম-মুশফিকদের ভুগালেও তাঁদের মোকাবিলা করার সামর্থ্য রয়েছে ব্যাটসম্যানদের।“দক্ষিণ আফ্রিকায় আমাদের আসল চ্যালেঞ্জটা হবে ওদের পেস বোলিং। তবে পেস বোলিং সামলানোর মতো ব্যাটসম্যানও আমাদের আছে। ওয়েলিংটনেও আমরা ৬০০ রান করেছি। অবশ্য সাকিব সে টেস্টে ২০০ করেছে, ও এবার নেই।”“তবে অন্য ব্যাটসম্যানদেরও ভালো করার সামর্থ্য আছে। আর টেস্ট জিততে হলে আমাদের বোলারদের ২০ উইকেট নিতে হবে, এটা তো জানা কথাই।”

বাংলাদেশের টেস্ট ফর্ম সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ। দেশের মাটিতে ইংল্যান্ড, লঙ্কানদের মাটিতে ম্যাচ জয় এবং সদ্য শেষ হওয়া অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে জয় দলকে বড় আশা দেখাতেই পারে। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ওদের মাটিতে জয়টা যে সহজ হবে না সেটি সবারই জানা। জয়ের আগে সমানে সমানে লড়াই করাটাকেই এগিয়ে রাখছেন মর্তুজা।“জয়ের কথা আমি বলব না। কারণ আমাদের এই দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড় আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলেনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আমরা ভালো খেলছি। আমি চাই, আমাদের দল সেখানেও ভালো ক্রিকেটটাই আগে খেলুক।”

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

গোলরক্ষকের প্রাণ বাঁচিয়ে প্রতিপক্ষের স্ট্রাইকার পেলেন ফিফার পুরস্কার

গোল দিতেই ছুটে আসছিলেন স্ট্রাইকার। সুযোগ পেয়েও তিনি গোল দেননি। মাটিতে লুটিয়ে পড়া প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের …