শনিবার , অক্টোবর ২১ ২০১৭
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
Home / সারাবিশ্ব / সু চির বক্তব্য অস্পষ্ট হলেও ‘আশা আছে’

সু চির বক্তব্য অস্পষ্ট হলেও ‘আশা আছে’

 

চলমান রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির বক্তব্যে অনেক অস্পষ্টতা থাকলেও তাতে কিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে পাচ্ছেন বাংলাদেশের রাজনীতিক ও কূটনীতিকরা।

রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ না করা এবং সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সু চির কথা বলার সমালোচনা করেই তারা বলছেন, ক’দিন আগে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের কড়া বক্তব্যের পর সু চির ভাষণের সুর অনেকটাই নরম।

দীর্ঘকাল সামরিক শাসনের পর গণতন্ত্রের পথে পা ফেলা মিয়ানমারে সু চির সীমাবদ্ধতার কথাও বলেছেন প্রতিবেশী দেশটিতে বাংলাদেশের সাবেক এক রাষ্ট্রদূত; কেননা মিয়ানমারে সু চির দল ক্ষমতায় থাকলেও এখনও সেনাবাহিনীকে সমঝে চলতে হয় তাকে।

রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নির্যাতন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনার মুখে জাতিসংঘের চলতি সাধারণ অধিবেশনে না গিয়ে মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর সু চি।

তিনি বাংলাদেশে থাকা শরণার্থীদের যাচাই সাপেক্ষে ফেরত নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মুসলিমরা কেন রাখাইন ছাড়ছে, তা খুঁজে বের করার কথা বলেছেন; আশ্বাস দিয়েছেন কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের।

তবে বক্তব্যে রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করেননি তিনি, পাশাপাশি সেনাবাহিনীর নির্যাতনমূলক ভূমিকা নিয়েও নীরব থেকেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী এই নেত্রী।

ওই চুক্তির আওতায় মিয়ানমার সে সময় দুই লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৯ জন রোহিঙ্গাকে দেশে ফিরিয়ে নেয়। চুক্তি নির্ধারিত যাচাই প্রক্রিয়ায় আরও ২৪১৫ জন শরণার্থীকে সে সময় মিয়ানমার থেকে আসা বলে নিশ্চিত হওয়া গেলেও মিয়ানমার তাদের আর ফিরিয়ে নেয়নি।

সু চির ভাষণকে ‘মিথ্যাচারে পূর্ণ’ বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রোহিঙ্গাদের এক নেতা। তিনি সেনাবাহিনীর অপরাধকে আড়াল করেছেন বলে মানবাধিকার সংগঠনগুলোও সমালোচনামুখর।

রোহিঙ্গা সঙ্কটের কারণে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী বাংলাদেশের রাজনীতিক ও কূটনীতিকরা বলছেন, কৌশলগত কারণে অনেক কিছু এড়িয়ে গেলেও সু চি যে ইতিবাচক কথাগুলো বলেছেন, তা বাস্তবায়ন হলে সঙ্কট মোচনের একটা পথ তৈরি হতে পারে।

সু চির বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মিয়ানমারে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত (২০০৯-২০১৪) অনুপ কুমার চাকমা তার অভিজ্ঞতার আলোকে সু চির সীমাবদ্ধতার কথা বলেন।

তিনি বলেন, “তিনি (সু চি) ইচ্ছে করলেই অনেক কিছু করতে পারবেন না।

“যে আশাটা আমরা করেছিলাম; অনেকে যেরকম আশা করেছিল, হয়ত সে রকম হয়নি। কিন্তু আমি নেতিবাচক বিষয়গুলোর চেয়ে ইতিবাচক বিষয়গুলো বের করার চেষ্টা করেছি। কিছু কিছু বিষয় সু চি ভালো বলেছেন।”

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

ধর্ষক রাম রহিমকেও ছাপিয়ে গেল এই তান্ত্রিকের কীর্তি!

৬০ বছরের এক মহিলাকে বাড়িতে ডেকে পাঠানো। তাঁকে বাধ্য করা বিকৃত যৌনাচারে লিপ্ত হতে। এরপর …