Mountain View

রোহিঙ্গা নারীদের গণধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭ at ১০:৫২ অপরাহ্ণ

প্রসঙ্গত, স্পর্শকাতরতা বিবেচনায়, রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ধর্ষণের বিষয়ে জাতিসংঘের চিকিৎসক ও সহায়তা সংস্থাগুলোর কর্মীরা খুব কমই মন্তব্য করে।

ল্যাদাতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) পরিচালিত একটি ক্লিনিকের চিকিৎসকরা রোগীদের পরিচয় গোপন করে রয়টার্সের সাংবাদিককে তিনটি কেস ফাইল দেখিয়েছে। এদের মধ্যে একটিতে দেখা গেছে, ২০ বছরের ওই নারীকে ১০ সেপ্টেম্বর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সাতদিন পর তিনি জানিয়েছেন, মিয়ানমারের এক সেনার হাতে তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

হাতে লেখা নোটে বলা হয়েছে, ওই নারী জানিয়েছেন, ধর্ষণের আগে সেনারা তার চুল ধরে টেনে বন্দুক দিয়ে পিটিয়েছিল।

শারীরিক পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এদেরকে ধর্ষণ, প্রহার এবং সজ্ঞানে তাদের যৌনাঙ্গ কেটে ফেলার মতো ঘটনা ঘটেছে।

আইওএমের মেডিকেল অফিসার ডা. তাসনুবা নওরিন বলেছেন, ‘আমরা ত্বকে চিহ্ন পেয়েছি, যাতে সজোরে হামলা, অমানবিক হামলার বিষয়টি দেখা যাচ্ছে।’

এই চিকিৎসা কর্মকর্তা জানান, তিনি যৌনাঙ্গ ছিন্নকরণ, কামড়ের দাগ এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে নারীর যৌনাঙ্গে আঘাতের মতো চিহ্ন দেখতে পেয়েছেন। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের যে ঢল নেমেছে বাংলাদেশে তাদের মধ্যে কমপক্ষে পাঁচজন এমন নারীকে পেয়েছেন, যাদেরকে সম্প্রতি ধর্ষণ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি ঘটনায় যে শারীরিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে তার সঙ্গে রোগীর বিবরণের সংগতি রয়েছে।

সূত্র: সময়ের কন্ঠস্বর

এ সম্পর্কিত আরও