Mountain View

ইসিতে এরশাদের ৮ প্রস্তাব

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ৯, ২০১৭ at ৬:২৭ অপরাহ্ণ

সংসদ ভেঙে দিয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলের প্রতিনিধি নিয়ে অন্তর্ববর্তী সরকার গঠনের সুপারিশ করেছে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। এ ক্ষেত্রে বিএনপি এ সরকারে থাকবে না। সেই সঙ্গে দেশজুড়ে সশস্ত্রবাহিনী মোতায়েন, ভোটারের ভিত্তিতে সীমানা পুন:নির্ধারণসহ আট দফা প্রস্তাব দিয়েছে দলটি। সোমবার (৯ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেয়।

এরশাদের আট প্রস্তাব:

লিখিত বক্তব্যে এরশাদ জানান, তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বিলোপের মধ্যমে আমরা কলঙ্কমুক্ত হতে পেরেছি। আমরা বলে আসছি সাংবিধানিক পন্থা অনুসারেই সব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। সে অনুসারে নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক প্রতিনিধিরাই আসীন থাকবেন। স্বাধীন ভাবে ইসিকে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি জানান, নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইসির উপর অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ করা চলবে না। লিখিত প্রস্তাবে বলা হয়, ভোটের সময় সারাদেশে স্বশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণার পর নির্দিষ্ট সময়ে সংসদ ভেঙে দিয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সকল দলের আনুপাতিক প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অন্তবর্তী সরকার গঠন করতে হবে। দলীয় প্রধানের সুপারিশের ভিত্তিতে অন্তবর্তী মন্ত্রিসভার সদস্য নিয়োগ করতে হবে।

অন্যপ্রস্তাবগুলো হচ্ছে, নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণার পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসন কোনো বিতর্কিত কর্মকর্তাকে দায়িত্বে রাখা যাবে না, নির্বাচনী ব্যয় সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে সব খরচ তার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার ক্ষেত্রে কঠোরতা আরোপ করতে হবে। প্রচার কাজের গাড়িবহর সীমিত রাখার বিধান রাখতে হবে, সংসদীয় এলাকার সীমানা নির্ধারণ প্রসঙ্গে বারবার সীমানা নির্ধারণ না করে ভোটের আনুপাতিক হারে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ করতে হবে।

নির্বাচনকালীন সময়ে প্রয়োজনে সংবিধানেরন ধারা-উপধারা সংশোধন করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, সংস্থাপন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিয়ে আসতে হবে। নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে একগুচ্ছা প্রস্তাবও রাখে জাপা।

এ সম্পর্কিত আরও