ঢাকা : ১৯ অক্টোবর, ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ / তথ্য-প্রযুক্তি / ভারত-বাংলাদেশের পর এবার ‘ব্লু-হোয়েলের’ ফাঁদে পাকিস্তান

ভারত-বাংলাদেশের পর এবার ‘ব্লু-হোয়েলের’ ফাঁদে পাকিস্তান

প্রকাশিত :


ভারত-বাংলাদশের পর এবার পাকিস্তানি তরুণ-তরুণীরাও প্রযুক্তি নির্ভর সুইসাইড গেম ‘ব্লু হোয়েলের ফাঁদে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দেশটির বেসরকারি টিভির এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।

এদিকে ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ গেমের ফাঁদে পড়ে দেশটির খাইবার পাখতুনখোয়া জেলার পেশোয়ার খাইবার টিচিং হাসপাতালে কমপক্ষে পাঁচ তরুণ-তরুণী ভর্তি হয়েছেন। যার মধ্যে ৪ জন ছেলে ও একজন মেয়ে।

হাসপাতালটির ডাক্তার ড. ইমরান জানান, ব্লু হোয়েল গেমের চ্যালেঞ্জগুলো জিততে গিয়ে তারা আহত হয় পড়ে তাদের হাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হতাশায় ভুগতেছিল।

অপরদিকে ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ গেমের ফাঁদে পড়ে পাকিস্তানের আরও বেশ কয়েকজন তরুণ-তরুণী আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।

প্রসঙ্গত, ব্লু হোয়েল গেমটির থাবায় এ পর্যন্ত রাশিয়ায় ১৫০ জনের মতো মারা গেছে। এছাড়া ইউরোপ ও অন্যান্য দেশে প্রায় ৫০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ঢাকার সেন্ট্রাল রোডের স্কুল পড়ুয়া মেধাবী এক কিশোরীর আত্মহত্যার পর সম্প্রতি বাংলাদেশেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ইন্টারনেটভিত্তিক গেম ‘ব্লু হোয়েল’। এছাড়া ইতিমধ্যে প্রাণঘাতী এই গেমে দুই জনের আসত্তির খবর পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, ব্লু হোয়েল মোটেও ইন্টারনেট ভিত্তিক অন্যান্য সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন কিংবা নিছক গেম নয়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ভিত্তিক একটি ডিপওয়ে গেম। বলা হচ্ছে, যেসব কম বয়সী ছেলে-মেয়ে অবসাদে ভোগে, তারাই অসাবধানতাবশত এই গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কোনো ক্লান্তি বা বিষণ্নতা দূর করার গেম নয়। আত্মহত্যার প্রবেশ পথ মাত্র।

ব্লু হোয়েল গেমে ৫০টি লেভেল রয়েছে। এক বা একাধিক কিউরেটর দ্বারা পরিচালিত এই গেমের শেষ লেভেলের টাস্কগুলো খুবই ভয়ংকর। তবে প্রথম দিকের লেভেল ও তার টাস্কগুলো বেশ মজার হওয়ায় এই গেমের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হয়ে পড়েন কিশোর-কিশোরীরা। নিয়ম অনুযায়ী একবার এই গেম খেললে বের হওয়া যায় না। কেউ বের হতে চাইলেও তাদের চাপে রাখতে পরিবারকে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেয়া হয় বলে প্রচলিত আছে।

এই গেমের বিভিন্ন ধাপে রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। যেমন ব্লেড দিয়ে হাতে তিমির ছবি আঁকা, সারা গায়ে আঁচড় কেটে রক্তাক্ত করা, কখনো ভোরে একাকি ছাদের কার্নিশে ঘুরে বেড়ানো, রেল লাইনে সময় কাটানো, ভয়ের সিনেমা দেখা ইত্যাদি। চ্যালেঞ্জ নেয়ার পর এসব ছবি কিউরেটরকে পাঠাতে হয়। ২৭তম দিনে হাত কেটে ব্লু হোয়েলের ছবি আঁকতে হয়। একবার এই গেম খেললে কিউরেটরের সব নির্দেশই মানা বাধ্যতামূলক। তার শেষের দিকের লেভেলে আত্মনির্যাতনমূলক বিভিন্ন টাস্ক সামনে এলেও কিশোর-কিশোরীরা এতটাই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন যে, গেম ছেড়ে বের হতে পারে না। তবে গেমের শেষ ধাপ অর্থাৎ ৫০তম ধাপে ইউজারদের এমন কিছু টাস্ক দেওয়া হয়, যা সম্পূর্ণ করা মানেই আত্মহত্যা। আর এর মাধ্যমেই ঘটে গেমের সমাপ্তি।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো আজ থেকে

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো ২০১৭’। বুধবার ১৮ …