Mountain View

যে কোনো মুহূর্তে উ. কোরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ১১, ২০১৭ at ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ

উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, পিয়ংইয়ংয়ের সম্ভাব্য ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জোরালো গুজবের পর সিউল যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাদের সামরিক বাহিনীকে পুরোপুরি প্রস্তুত রেখেছে। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) এ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের মুখপাত্র জানান, তারা উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এক্ষেত্রে যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জাতিসঙ্ঘ আরোপিত অবরোধ উপেক্ষা করে পিয়ংইয়ং একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ষষ্ঠবারের মতো শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা উত্তেজনা বাড়তে থাকে যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু দেশের। উত্তর কোরিয়া দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রায় প্রতি বছর উস্কানিমূলক পরীক্ষা চালায়। দেশটি মঙ্গলবার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে। কিম পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি মোকাবেলায় একটি ‘শক্তিশালী প্রতিরোধ শক্তি’ হিসেবে কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। একই সাথে তার দেশের সামরিক ইস্যুতে ওয়াশিংটনের সমর্থনে আরোপিত জাতিসঙ্ঘের নিষেধাজ্ঞাগুলো ব্যর্থ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গত কয়েক দশকে মার্কিন প্রশাসনগুলো পিয়ংইয়ংয়ের সাথে অনেক আলোচনা ও চুক্তি সই করা সত্ত্বেও কোরীয় উপদ্বীপের সঙ্কট নিরসন হয়নি। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, যুদ্ধই হচ্ছে উত্তর কোরিয়াকে মোকাবেলার একমাত্র উপায়। ট্রাম্পের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই কিম মন্তব্য করেন। উত্তর কোরিয়াকে প্রয়োজনে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে ফেলারও হুমকি দিয়ে আসছেন ট্রাম্প।

কিমের বোন শীর্ষ পরিষদের সদস্য এ দিকে নিজের বোনকে আরো ক্ষমতা দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পরিষদের সদস্য করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। তিন বছর আগে ইয়োকে পার্টির অন্যতম সিনিয়র নেতা করা হয়েছিল তাকে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৮ সালে উত্তর কোরিয়া প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে কিম পরিবার রাষ্ট্রটি শাসন করে আসছে। উত্তর কোরিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে ইয়োর জড়িত থাকার কথিত অভিযোগে তাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাছাড়া যে কোন মূহুর্তে কিমকে সঠিক জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান ট্রাম্প।

এ সম্পর্কিত আরও