মিয়ানমারের রাখাইনে গিয়ে যা দেখলেন বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ১২, ২০১৭ at ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ

মিয়ানমারের রাখাইনে নৃশংস হত্যা ও নির্যাতনের কথা এখন আর কারো অজানা নয়।  বিশ্বের প্রায় সব মানুষই এই ঘটনা সম্পর্কে অবগত আছে।  আর সম্প্রতি এই ঘটনাই

সরেজমিনে দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলেন মিয়ানমারের প্রতিবেশী পাঁচ দেশের রাষ্ট্রদূত।  বাংলাদেশও মিয়ানমারের প্রতিবেশী হওয়ায় ওই পাঁচজনের মধ্যে মিয়ানমারে নিযুক্ত ছিলান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমানও।  গত মঙ্গলবার তারা দেশটি সফর করেন।  বাংলাদেশ ছাড়াও প্রতিবেশী আরো চারটি দেশ চীন, ভারত, থাইল্যান্ড ও লাওসের

রাষ্ট্রদূতরা পরিস্থিতি ছিলেন।  আর দেখাতে মঙ্গলবার নিয়ে গিয়েছিলেন মিয়ানমারের শীর্ষ মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা।

এদিকে গতকাল বুধবার বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমান বলেন, “রাখাইনে গিয়ে তিনি বাস্তুচ্যুত বহু রোহিঙ্গার মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা দেখেছেন এবং তারা নিজেদের গ্রামে আর ফিরে যেতে চায় না বলেও তাঁদের জানিয়েছে। ”

সুফিউর রহমান মনে করেন, সফরে তাঁর সঙ্গী অন্য রাষ্ট্রদূতরাও তার কাছাকাছি ভাবনার অংশীদার হবেন।  তিনি জানান , ‘গোটা অঞ্চলে আমি মাইলের পর মাইল ধরে যে পোড়া বাড়িঘর দেখেছি, তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না।  এ জিনিস হঠাত্ করে হয়নি বলেই আমার মনে হয়েছে। ‘

সুফিউর রহমান আরো যোগ করে বলেন, ‘এই মানুষগুলোর চোখেমুখে ছিল চরম নিরাপত্তাহীনতার ছাপ।  তারা বলছিল তাদের অবর্ণনীয় কষ্টের কথা।  নিজের গ্রাম থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে এই মানুষরা, তার পরেও তারা যে সেখানে আর ফিরতে চায় না সে কথা আমাদের খোলাখুলিই বলল।  তবে সরকারি কর্মকর্তারা একটু আড়াল হতেই তাদের কথাবার্তা থেকে একটু অন্য রকম আভাসও পাওয়া যায়।  বোঝা যায়, সে কথাগুলো তারা সরকারের প্রতিনিধিদের সামনে বলতে সাহস পায় না।  ’

উল্লেখ্য, এই যদি হয় সরেজমিনের অবস্থা, তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে এত কিছুর পরো মিয়ানমারের বিচার হয়না কেন?

এ সম্পর্কিত আরও