Mountain View

বন্যার পর আমন হাসছে মাঠ জুড়ে

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ১৭, ২০১৭ at ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ

শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার চারদিকে এখন ঘন সবুজের সমারোহ। পোকামাকড় ও বিভিন্ন ধরনের রোগবালাইয়ের আক্রমণ ছাড়াই বেড়ে ওঠা সোনালি ধানের শীষে ভরে গেছে মাঠ। দিগন্ত জোড়া সবুজ ফসলের মাঠ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও বিকশিত করে তুলেছে।

মাঠ ভরা ফসল দেখে কৃষকদের চোখে মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের ছোঁয়া। আগামী এক মাসের মধ্যে ওই এলাকায় যদি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটে তাহলে এবার আমনের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে ধান উৎপাদনের দিক থেকে এবারও নন্দীগ্রাম উপজেলা শীর্ষে স্থানে রয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৫টি ইউনিয়নে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও তারচেয়ে বেশি জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে।

আমন মৌসুমের শুরুতেই ঘন ঘন বৃষ্টিতে উপজেলার দুটি ইউনিয়নের ১৬টি গ্রামের মাঠ বন্যার পানিতের প্লাবিত হয়। এরপরেও মাঠের ফলন দেখে হতাশ কৃষকরা অনেকটা আশান্বিত।

ইতোমধ্যেই জমিতে ধানের শীষ বের হয়েছে। তবে কিছু কিছু জমিতে ধানে রোগ দেখা দিলেও সেটি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তারপরও সতকর্তার সাথে জমিতে কীটনাশক ওষুধ প্রয়োগ করছে কৃষকরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার বেলঘরিয়া মাঠ, সদর ইউনিয়নের দলগাছা গ্রামের মাঠ আমন ধানের চাষাবাদে ভরে গেছে। ধানক্ষেতে ওষুধ প্রয়োগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও পরামর্শে চাষাবাদকৃত আমন ধান গতবারের চেয়ে এবার ভালো হয়েছে। আর কয়েক দিন পরই ধান কাটা শুরু করা যাবে। যদি কোনো প্রকৃতিক দুর্যোগ না আসে তবে এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে ইনশাল্লাহ।

উপজেলা কৃষি অফিসার মুহা.মশিদুল হক বলেন, ‘আমন ধানের বাম্পার ফলন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আমরা মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আসছি। তাই আশা করি বিগত মৌসুমের মতো এবারও আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে। এতে কৃষকরা অনেকটা লাভবান হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View