Mountain View

আফ্রিকার মাটিতে সেরা ৪টি বোলিং ফিগার ও ম্যাচের বিস্তারিত

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ১৯, ২০১৭ at ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ

জুবায়ের আহমেদ: সাউথ আফ্রিকার মাটিতে চলতি সিরিজ সহ ৩টি পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলে বাংলাদেশ দল। ২০০২ সালে প্রথমবারের মতো আফ্রিকা সফরে যায় বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আফ্রিকা ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০১ রান করে। বল হাতে ১০ ওভারে ৫০ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন তাপশ বৈশ্য। তালহা জুবায়ের ১০ ওভারে ৬৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন, যা গতকালের ম্যাচের আগ পর্যন্ত আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডেতে বাংলাদেশী কোন বোলারের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিলো।

গতকাল পার্লের বোল্যান্ড পার্কে গতি তারকা রুবেল হোসাইনও ৪ উইকেট শিকার করেন, তবে তালহা জুবায়ের থেকে ৩ রান কম দেন রুবেল হোসাইন। ফলে তালহাকে টপকে ওয়ানডেতে আফ্রিকার মাটিতে রুবেলই সেরা বোলার এখন।

আফ্রিকার মাটিতে রুবেল হোসাইন ৬২ রানে ৪, তালহা জুবায়ের ৬৫ রানে ৪, তাপশ বৈশ্যের ৫০ রানে ৩ উইকেটের পর ২০০৮ সালে সাউথ আফ্রিকা সিরিজে নাঈম ইসলাম ৫৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন, যা আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডেতে ৪র্থ সেরা বোলিং ফিগার।

চারজনের বোলিং ফিগার দেখেই বুঝা যাচ্ছে, আফ্রিকার মাটিতে উইকেট পেলেও প্রচুর রান খরচ করতে হয় এবং উইকেট দেওয়ার আগে পর্যাপ্ত রান সংগ্রহ করে ফেলেন আফ্রিকানরা। ২০০২ সালের তাপস-জুবায়েরের সাফল্যের ম্যাচটিতেও ৩০১ রান করে আফ্রিকা। ২০০৮ সালে নাঈমের ৩ উইকেট শিকারের ম্যাচেও ২৮৩ রান সংগ্রহ করে আফ্রিকা।

২০০২ সালের ম্যাচটিতে ৩০২ রানের টার্গেটে বাংলাদেশ মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট হয়ে ১৬৮ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়। চলতি সিরিজের ২য় ম্যাচেও ৩৫৪ রানের টার্গেটে বাংলাদেশ মাত্র ২৪৯ রানে অলআউট হয়ে ১০৪ রানে পরাজয়বরণ করে। কিন্তু ব্যতিক্রম ছিলো ২০০৮ সালের ম্যাচটি। আফ্রিকাকে ২৮৩ রানে আটকে ফেলে আশরাফুল ও সাকিবের ব্যাটে জয়ের পথেই ছিলো বাংলাদেশ। ৫ম উইকেটে দুজনের ৯২ রানের জুটি জয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলো বাংলাদেশ। ৭৮ বলে ৭৩ রান করে আশরাফুল আউট হওয়ার পর অল্প সময়ে রাকিবুল ২ বলে শুণ্য ও সাকিব ৭৭ বলে ৫১ রান করে আউট হওয়ার ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। শেষে নাঈম ইসলাম অপরাজিত ২৫ রানের ইনিংস খেললেও ৪৪.২ ওভারে ২২২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। আফ্রিকা ৬১ রানে জয়লাভ করে, অথচ তখনো ৩৪ বল অবশিষ্ট ছিলো। সাকিব কিংবা আশরাফুল একজন টিকে থাকলেই জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারতো বাংলাদেশ।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View