Mountain View

নব্য জেমবি সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ২৩, ২০১৭ at ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ

শেরপুরে বিস্ফোরক মামলার প্রধান আসামী নব্য জেমবি সদস্য আবুল কাশেমকে (২২) রোববার (২২ অক্টোবর) টাঙ্গাইলের এলাঙ্গা বাস টার্মিনাল থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা বাজারের ছেলে মৃত শফিউল হকের ছেলে এবং ৫ অক্টোবর চন্দ্রকোনা তানিসা গার্মেন্ট থেকে উদ্ধার ১৯ ড্রাম বিস্ফোরক মামলার প্রধান আসামী।

জেমবি সদস্য কাশেমকে গ্রেফতারের ঘটনায় রোববার রাত সোয়া ৯ টার দিকে শেরপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন আহবান করেন পুলিশ সুপার মো. রফিকুল হাসান গনি।

এ সময় লিখিত প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ হেড কোয়াটার্সের প্রযুক্তির মাধ্যমে জানা যায় জেমবি সদস্য কাশেম ভোরে সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা রওনা হবে। সেই তথ্যের প্রেক্ষিতে একটি আভিযানিক দল রোববার সকালে কালিহাতি উপজেলার এলেঙ্গা বাস টার্মিনালে অবস্থান নিয়ে দুপুর পনে ১টায় তাকে গ্রেফতার করে। এসপি রফিকুল হাসান আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নব্য জেএমবি সদস্য জানিয়েছে যে, ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ফেসবুকের মাধ্যমে সে ২ জনকে বন্ধু করে। পনে তারা তাঁকে একটি জঙ্গী সংগঠনের কার্যক্রম সর্ম্পকে ধারণা দেয় এবং ইসলামের শত্রুদের নিধন করতে অনুরোধ জানায়। তাদের আহবানে সাড়া দিয়ে ফেসবুকের এনকোডেড মোবাইল এপসের মাধ্যমে তাদের সাথে সে যোগাযোগ অব্যাহত রাখে। এরপর সংগঠনের সিনিয়রদের নির্দেশে ফেব্রুয়ারী মাসে চন্দ্রকোনা বাজারে ফাইজুদ্দিনের ঘর ৬০০ টাকায় সে ভাড়া নেয়। মার্চ মাসে রাতের বেলায় ১৯ ড্রাম বিস্ফোরক ওই ঘরে মজুদ করে।

সম্প্রতি ঈদুল আযহা ও দুর্গাপূজায় ওই বিস্ফোরক দিয়ে জঙ্গীরা নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল বলে মন্তব্য করেন পুলিশ সুপার রফিকুল হাসান। পুলিশের নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার কারণে জঙ্গীদের ওই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় বলে তিনি জানান্।

উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা বাজারের তানিসা গার্মেন্ট এন্ড সুজ নামে একটি দোকানের ভেতর থেকে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ১৯ ড্রাম বিস্ফোরক উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ঘরের মালিক মিনারা বেগম ও ফাইজুদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View