হাতে ওটা কী?

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ১৯, ২০১৭ at ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ

সময় মানুষের চিন্তাভাবনা কতটাই না পালটে দেয়! এই দেখুন না, আজ যেটা স্মার্টফোন বলে মনে হচ্ছে সেটাকে একসময় মনে করা হত ধর্মীয় বই। সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে দুটোই ঠিক। তবে কোনটা যে সত্যি তা জানা যাবেনা কখনো। কথা হচ্ছে একটি পেইন্টিং নিয়ে।

১৮৬০ সালে ফোনের উপস্থিতি ছিল এমন কথা আপনি কি বিশ্বাস করবেন? তবে আপনি বিশ্বাস করুন আর নাই করুন একজন ব্যক্তি দাবি করেছেন, ১৮৬০ সালে আঁকা পেইন্টার ফার্দিনান্দ জর্জ ওয়াল্ডমুলারের ছবিতে একজন যুবক ফুল দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে এবং বিপরীত দিক থেকে আসা নারী সেসব খেয়াল না করেই নিজের হাতে থাকা ফোনের দিকে তাকিয়ে আছেন।

পিটার রাসেল নামের এক ব্যাক্তি মিউনিখের পিনাকোথেক যাদুঘর পরিদর্শন করার সময় এই পেইন্টিং দেখে সাথে সাথেই টুইট করে আলোড়ন তুলে ফেলেন রীতিমত। এরপরে অবশ্য গ্যালারির ওয়েবসাইটটি সকল বিভ্রান্তি দূর করে দিয়েছে। ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, পেইন্টিংয়ে আঁকা মেয়েটি আসলে একটি হাইম বুক (ভক্তিমূলক বই) ধরে এগিয়ে আসছিল। প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট মাদারবোর্ডকে রাসেল বলেন, ‘প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে সাথে পেইন্টিংয়ের ব্যাখ্যা কতটা বদলে যেতে পারে তাই আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে’। তিনি আরও বলেন, ‘১৮৫০ অথবা ১৮৬০ সালে যেকোনো দর্শকই এই পেইন্টিংয়ের নারীকে প্রার্থণার বই ধরে আছে ভাবত। কিন্তু আজ যেকোনো কেউই মনে করবে একজন তরুণী তার স্মার্টফোনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যস্ত’।

সত্যিটা কী তাহলে? আপনিই নাহয় ভেবে দেখুন!

এ সম্পর্কিত আরও