Mountain View

হেভিওয়েট ম্যাচে কুমিল্লার জয়ের নায়ক দুই পাকিস্তানি তারকা

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ২০, ২০১৭ at ৫:২২ অপরাহ্ণ

উত্তেজনা ও রোমাঞ্চে ভরপুর ম্যাচে দুই হেভিওয়েট দলের লড়াইয়ে ঢাকা ডায়নামাইটসকে ৪ উইকেটে হারিয়ে বিপিএলে শীর্ষস্থানে উঠে এল কুমিল্রা ভিক্টোরিয়ান্স।  ঢাকার দেওয়া ১২৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ২ বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

ভিক্টোরিয়ান্সের জয়ের নায়ক দুই পাকিস্তানি তারকা।  প্রথম কাজটি করেছেন পেসার হাসান আলী ও শেষের কাজটি করেছেন ব্যাটসম্যান সোয়েব মালিক।  ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সবার আসা যাওয়ার মিছিলের

 মাঝেও ঠায় দাড়িয়ে ছিলেন এই অলরাউন্ডার।  এবং শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের বন্দরে পৌছে দিয়ে তবেই থেমেছেন তিনি।

ঢাকার ১২৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে কুমিল্লা।   দলীয় ১৭ রানের মাথায় শুন্য রানে আউট হন লিটন দাস।    ২৩ রানের মাথায় দারুন খেলা তামিম আউট হন ১৮ রান করে।   বিপিএলে আলো ছড়ানো ইমরুল কায়েসও টিকেনি বেশিক্ষন।   দলীয় ৫৮ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২০ রান করে আউট হন তিনি।  ৭৪ রানের মাথায় আউট হন ব্রাভো।

এরপর বাটলার ও মালিক মিলে এগিয়ে নিয়ে যান কুমিল্লাকে।  কিন্তু সেসময় আবার বাধা হয়ে দাড়ান আমির।  ১৭তম ওভারে বল করতে এসে বাটলার এবং সাইফুদ্দিনকে আউট করে ঢাকার আশা জাগিয়ে তোলেন।

কিন্তু সব কিছুর পরও এক মালিকের কাছেই হেরে যায় তারা।  আর তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন মেহেদী।  শেষ ওভারে কুমিল্লার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৯রান।  কিন্তু চার বলেই সেই রান তুলে কুমিল্লার জয নিশ্চিত করে মালিক।  শেষ পর্যন্ত ব্যাট করা এই তারকা ৫৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে আফ্রিদিকে ছাড়া খেলতে নামা ঢাকা ডায়নামাইটস টস জিতে  ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হাসান আলীর তোপে পড়ে।  ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই নির্ভর যোগ্য ব্যাটসম্যান এভিন লুইসের (৭) উইকেট উপরে ফেলেন হাসান আলী।  এক বল বিরতি দিয়ে মেহেদী মারুফের উইকেটও তুলে নেন তিনি।

তবে এরপর পাল্টা আক্রমন করেন সুনিল নারিন।  তার আক্রমনে খুব ভালো ভাবেই ম্যাচে ফেরে ঢাকা ।  সাঙ্গাকারাকে নিয়ে ঝড়ো ব্যাট করেন তিনি।

দলীয় ১০৪ রানের মাথায় সাঙ্গাকারা রান আউট হয়ে ফিরলে ভাঙ্গে এই জুটি।  আউট হওয়ার আগে ৩০ বলে ২৮ রান করেন লঙ্কান সাবেক এই তারকা।

এরপরও পোলার্ড, সাকিব, নারিনরা থাকায় ২০০ রানের স্বপ্নই দেখছিল ঢাকার সমর্থকরা।  তবে একঝটকায় সেই স্বপ্নকে দু:স্বপ্নে পরিনত করে দেন কুমিল্লার বোলাররা।

তবে ১৪তম ওভারে আক্রমনে এসেই সুনিল নারিনকে ফেরান সাইফুদ্দিন।  ৪৫ বলে ৫টি ছ্ক্কা ও ৭টি চারে ৭৬ রান করেন তিনি।  নারিন যখন আউট হয় তখন দলীয় সংগ্রহ ১১৬ রান।  হাতে তখন আরো ৬.৩ ওভার ছিল।  কিন্তু সুনিল নারিন আউট হতেই তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়ে ঢাকার ব্যাটিং লাইনআপ।

পরের ওভারেই পোলার্ড ফেরেন রান আউট হয়ে মাত্র ১ রান করেই।  এরপর আরেকপ্রস্থ তান্ডব চালান হাসান আলী।   শুরুটা করেন মোসাদ্দেককে (১) বোল্ড করে।

পরের ওভারে জহুরুলের উইকেটিও তুলে নেন রশিদ খান।  এরপর সাদ্দাম এবং আবু হায়দার রনিকেও বোল্ড করেই সাজঘরে পাঠান হাসান আলী।  আর সেই সাথে মাত্র ১২৮ রানেই অল আউট হয়ে যায় ঢাকা।

হাসান আলী একাই নিয়েছে ৫ উইকেট।  দুটি উইকেট নিয়েছেন রশিদ খান।

এ সম্পর্কিত আরও