জামিন পেলেন আপন জুয়েলার্সের ৩ মালিক

প্রকাশিতঃ ডিসেম্বর ১৪, ২০১৭ at ৪:১৯ অপরাহ্ণ

অর্থ পাচারের অভিযোগে করা পৃথক তিন মামলায় আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক দিলদার আহমেদ, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদ জামিন পেয়েছেন। তবে দিলদারের বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা থাকায় তিনি এখনই কারাগার থেকে বের হতে পারছেন না।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার তাদের জামিন প্রশ্নে রুলের শুনানি নিয়ে এ রায় দেন।

তিনজনের কৌঁসুলি এ এম আমিন উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, পাঁচ মামলার মধ্যে গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদ পৃথক দুই মামলায় জামিন পেয়েছেন। ফলে তাদের কারা মুক্তিতে আইনগত বাধা নেই। এক মামলায় দিলদার জামিন পেলেও আরও দুই মামলা থাকায় তিনি এখন জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন না।

পৃথক পাঁচ মামলায় জামিন চেয়ে আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২২ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল দেন। কেন তাদের জামিন দেওয়া হবে না তা রুলে জানতে চাওয়া হয়। রুলের ওপর গতকাল বুধবার ও আজ শুনানি নিয়ে আদালত তিনটি আবেদন নিষ্পত্তি করে জামিন মঞ্জুর করে এ রায় দেন। তবে দিলদার আহমেদের অপর দুটি আবেদন মুলতবি (স্যান্ড ওভার) রাখা হয়েছে।

আদালতে জামিন আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেনএ এম আমিন উদ্দিন, শেখ ফজলে নূর তাপস ও মো. মেহদী হাসান চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসূফ মাহমুদ মোর্শেদ।

বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় আপন জুয়েলার্সের নাম সামনে আসে। ওই ঘটনায় করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে শাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়। অন্য আসামিরা হলেন নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, শাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও তাঁর দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

এই মামলা চাপা দিতে বিপুল অর্থ খরচের চেষ্টার অভিযোগ উঠলে অর্থের উৎস ডার্টি মানি কি না অথবা তাঁদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম অস্বচ্ছ কি না, তা খতিয়ে দেখতে শুরু করে শুল্ক গোয়েন্দারা। আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে পাঁচটি মামলা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও