Mountain View

কিছু এনজিওর কারসাজিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিলম্ব

প্রকাশিতঃ জানুয়ারি ২৪, ২০১৮ at ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ

রোহিঙ্গা ইস্যুকে সামনে রেখে নাম না জানা অনেক এনজিও মানবিক সেবার নামে বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করলেও বাস্তবে তাদের আসল উদ্দেশ্য কী তা প্রশাসন জানে না। এনজিওগুলো বিদেশি অর্থ পকেটে ভরছে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রায় ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ক্যাম্পে বিভিন্ন পদে চাকরি দিয়েছে। যা বাংলাদেশের আইন ও আন্তর্জাতিক শরণার্থী বিষয়ক নীতিমালা বহির্ভূত। কিছু এনজিওর কারসাজির কারণে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকালে উখিয়া একরাম মার্কেট চত্বরে প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা সুলতান আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উখিয়া প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাহামুদুল হক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এ চুক্তির ধারাবাহিকতায় মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের আপাতত আশ্রয় দেওয়ার জন্য ট্রানজিট ক্যাম্প স্থাপন করে চলেছে।

এছাড়াও ফিরে যাওয়া রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্যও তারা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের নির্দেশে এনজিও ব্যুরো ১২টি এনজিও’র কার্যক্রম স্থগিত করলেও ওইসব এনজিও গোপনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে।

রোহিঙ্গারা বিক্ষোভসহ নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে সভা-সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যার ফলে স্থানীয় জনসাধারণ ও রোহিঙ্গাদের দিন দিন দূরত্ব বাড়ছে। যে কোন সময়ে বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে প্রত্যাবাসনবিরোধী এনজিওগুলোকে বহিষ্কার করতে হবে। সভায় বক্তব্য রাখেন সংগ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মাবু, কাশেদ নুর, জসিম উদ্দিন চৌধুরী।

এ সম্পর্কিত আরও

আপনিও লিখুন .. ফিচার কিংবা মতামত বিভাগে লেখা পাঠান [email protected] এই ইমেইল ঠিকানায়
সারাদেশ বিভাগে সংবাদকর্মী নেয়া হচ্ছে। আজই যোগাযোগ করুন আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুকের ইনবক্সে।