মঙ্গলবার , জুলাই ১৭ ২০১৮, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > অর্থনীতি > শিল্পায়নের যুগেও বিশ্ববাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের কৃষি পণ্যের চাহিদা
Mountain View

শিল্পায়নের যুগেও বিশ্ববাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের কৃষি পণ্যের চাহিদা

শিল্পায়নের যুগেও বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের চাহিদা বাড়ছে বিশ্বের বাজারে। তাই, কৃষিপণ্যের রপ্তানি আয়ও বাড়ছে। আর জুলাই-মে সময়ে এ খাতের আয় দাঁড়িয়েছে ৬০ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। দেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। পুরো বছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে ১১ মাসেই। দেশের রপ্তানির তালিকায় থাকা কৃষি পণ্যের মধ্যে রয়েছে চা, সবজি, শুকনো খাবার, মশলা, ফুল, ফল ইত্যাদি।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হয়েছে। এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০ কোটি ৩ লাখ ডলার বা প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা বা বেশি আয় হয়েছে। অপরদিকে এ আয় গত অর্থবছরে (২০১৬-১৭) একই সময়ে এ খাতের আয় ছিল ৫১ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, আয় বেড়েছে প্রায় ৯ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৮.০৯ শতাংশ। কৃষিপণ্যের এ ধারাবাহিক রপ্তানি আয় বৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন কৃষিবিদ এবং সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, এ খাতের প্রতি আরেকটু জোর দিলে কৃষি আয় আরও বাড়ানো সম্ভব।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৯ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। যদিও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আয় কমে হয়েছিল ৫৫ কোটি ৩১ লাখ ডলার। তবে এ বছরের শুরু থেকেই আবারও রপ্তানি বাড়তে শুরু করেছে। চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৫৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যা এরই মধ্যে অতিক্রম করেছে। চলতি অর্থবছরে শুকনো খাবার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এ হিসাবে জুলাই-মে মেয়াদে পণ্যটি রপ্তানিতে ১১ কোটি ২৯ লাখ ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এ সময়ে আয় হয়েছে ১৭ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫৯ দশমিক ১৬ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতের রপ্তানি আয় ৭৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে আয় হয়েছিল ১০ কোটি ৫ লাখ ডলার।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে মশলা রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ কোটি ৬১ লাখ ডলার। এর বিপরীতে এ খাতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৫ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১২.৩১ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসের চেয়ে ২৪.০৯ শতাংশ বেশি। গেল অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে মশলা রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৩ কোটি ২৭ লাখ ডলার। যদিও চলতি বছরের পুরো সময়ে এ খাত থেকে ৪ কোটি ডলারের রপ্তানির আশা করা হয়েছিল, যা ১১ মাসেই পূর্ণ হয়েছে।

এদিকে গেল জুলাই-মে মেয়াদে সবজির রপ্তানি আশার চেয়ে কিছুটা কম হয়েছে। এ সময়ে সবজিতে ৭ কোটি ২২ লাখ ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আয় হয়েছে ৭ কোটি ১২ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। একই সঙ্গে গেল অর্থবছরের জুলাই-মে মেয়াদের চেয়েও ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ কম। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময় আয় ছিল ৭ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। চলতি বছর সবজির রপ্তানি থেকে ৮ কোটি ডলার আয়ের আশা করা হচ্ছে। পরিমাণে কম হলেও আয় বেড়েছে ফল রপ্তানি করে। গেল ১১ মাসে ফল রপ্তানিতে ১৮ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় এসেছে ২২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসের তুলনায় এ খাতের আয় বেড়েছে বা প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। ২০১৬-১৭ একই সময়ে ফল রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ১৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। চলতি অর্থবছরের পুরো সময়ে ২০ লাখ ডলারের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

এক সময়ের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য চা রপ্তানি আশানুরূপ নয়। অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে চা রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। এর বিপরীতে এ খাতে আয় ২৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় অর্ধেক বা ৪৪ শতাংশ কম। একই সঙ্গে গেল অর্থবছরের একই সময়ের চেয়েও আয় কমেছে ৪১ শতাংশ। ওই সময় আয় ছিল ৪২ লাখ ৯০ হাজার ডলার। গেল ১১ মাসে ফুল রপ্তানি হয়েছে ৭০ হাজার ডলারের। গেল অর্থবছরের একই সময় সমপরিমাণ রপ্তানি আয় এসেছিল ফুল থেকে। এর বাইরে অন্য কৃষি পণ্যে জুলাই-মে সময়ে ২৫ কোটি ১১ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রপ্তানি আয় হয়েছে ২৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলার। গেল অর্থবছরের একই সময় এ খাতে আয় ছিল ২৫ কোটি ৫৬ লাখ ডলার।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Mountain View

Check Also

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটার বিরুদ্ধেই সাম্প্রতিক আন্দোলন: প্রধানমন্ত্রী

সাম্প্রতিক কোটা বিরোধী আন্দোলন প্রচ্ছন্নভাবে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটার বিরুদ্ধেই আন্দোলন। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ …