মঙ্গলবার , জুলাই ১৭ ২০১৮, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > রাজনীতি > দুই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি আগামী ৩১ জুলাই
Mountain View

দুই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি আগামী ৩১ জুলাই

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননা ও ভুল তথ্য দিয়ে জন্মদিন পালনের অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় জামিন আবেদন করেছেন তার আইনজীবীরা। আগামী ৩১ জুলাই এই আবেদনের ওপর শুনানির দিন ঠিক করা হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো: ইমরুল কায়েসের আদালতে এই জামিন আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার।

এ বিষয়ে মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, গত ৫ জুলাই বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এই দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করায় আজ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করা হয়েছে। আগামী ৩১ জুলাই এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে।

এর আগে গত ৫ জুলাই ওই দুই মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকা মহানগর হাকিম আহসান হাবীবের আদালত জাতীয় পতাকা অবমাননা মামলায় এবং জন্মদিন পালনের মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলমের আদালত।

আদেশে আদালত বলেন, খালেদা জিয়া রাজাকারদের মন্ত্রী বানিয়ে গুরুতর অপরাধ করেছেন যা রাষ্ট্রদোহিতার শামিল। সেই বিবেচনায় জামিন নামঞ্জুর করা হল।

গত ৬ জুন প্রকাশিত হাইকোর্টের এক আদেশে বলা হয়, জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্টে ভুল তথ্য দিয়ে জন্মদিন পালনের অভিযোগে দায়ের করা মানহানির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর ও জামিন নিষ্পত্তিতে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট ভুল পথে পরিচালিত হয়েছে। একইসঙ্গে এ সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে খালেদা জিয়ার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলেছেন আদালত। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চের এক লিখিত আদেশে এ মন্তব্য করা হয়। গত ৩১ মে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেন আদালত।

ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশ পর্যালোচনা করে হাইকোর্ট বলেছেন, আমাদের বলতে দ্বিধা নেই যে, সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকরসহ জামিন আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ভুল পথে পরিচালিত হয়েছে। খালেদা জিয়া ইতিমধ্যেই অন্য মামলায় কারাগারে রয়েছেন। এর ফলে গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকরের জন্য আর অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এরপরেও গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করে জামিন আবেদন নথিভুক্ত করে আদেশ দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট গুরুতর ভুল করেছেন।

২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে দেশের মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকার মানহানি ঘটানোর অভিযোগে আদালতে একটি মানহানির মামলা দায়ের করেন।

আর ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়াকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পরপরই বেগম খালেদা জিয়াকে আদালত থেকে গ্রেফতার করে পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি এখন কারাগারে আছেন।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Mountain View

Check Also

আ. লীগ সাধারণ সম্পাদক কোন গণতন্ত্রের কথা বলছেন: রিজভী

নিউজ ডেস্ক,বিডি টোয়েন্টিফোর টাইমসঃ আওয়ামী নেতারা কী ভুলে গেছেন সরকারের সমালোচনা করার কারণে গভীর রাতে …