A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > অন্যান্য > আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে বিস্ময়কর দশটি সাফল্য
Mountain View

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে বিস্ময়কর দশটি সাফল্য

জুবায়ের আহমেদ: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে অনেক দলীয় ও ব্যক্তিগত সাফল্য আছে, যারা অবাক করার মতোই। এমন সাফল্য ক্রিকেটে আসবে, তা কেউ আগে থেকেই ভাবতে পারেনি। এমন সব সাফল্যের মধ্য থেকে দশটি উল্লেখ করা হলো।

১। টেস্ট ক্রিকেটের এক ইনিংসে ৪৫০ কিংবা ৫০০ রানই যথেষ্ট। কিন্তু ১৯৯৭ সালে ভারতের সাথে টেস্টে ভারতের ৫৩৭ রানের জবাবে টেস্টের সর্বোচ্চ স্কোর ৯৫২ রানের পাহাড় গড়ে শ্রীলংকা, যা এখনো পর্যন্ত টেস্টে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস হিসেবে অটুট আছে। এ ম্যাচেই জয়সুরিয়ার ৩৪০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।

২। ইংল্যান্ডের অফস্পিনার জিম লেকার, যিনি ১৯৫৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার সাথে এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। তারপর ১৯৯৯ সালে ভারতীয় স্পিনার অনিল কুম্বলেও পাকিস্তানের সাথে ইনিংসে ১০ উইকেট শিকার করেন। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে লেকার ও কুম্বলে ছাড়া আর কোন বোলারই ১০ উইকেট শিকার করতে পারেননি।

৩। ব্রায়ান লারা ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের সাথে টেস্টে ৪০০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। এ পর্যন্ত কেউ লারার রেকর্ড ভাঙ্গতে পারেননি।

৪। ১৯৩৮ সালে ক্রিকেট বিশ্ব দেখেছে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। টেস্ট ক্রিকেটের মাত্র ২৬৬ তম ম্যাচে ইংল্যান্ডের ৯০৩ রানের জবাবে অজিরা ২০১ ও ১২৩ রানে অলআউট হয়, ফলে ইনিংস ও ৫৭৯ রানে জয়লাভ করে ইংল্যান্ড।

৫। ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের সাথে টেস্টে সেঞ্চুরী ও হ্যাট্রিক করে ইতিহাসের জন্ম দেয় সোহাগ গাজী। টেস্টে সেঞ্চুরী ও হ্যাট্রিকের এটিই একমাত্র ঘটনা।

৬। রোহিত শর্মা ২০১৪ সালে শ্রীলংকার সাথে ২৬৪ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেন ওয়ানডেতে, যা সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড। ২৬৪ রান যেখানে দলীয় স্কোর হিসেবেও যথেষ্ট, সেখানে ব্যক্তিগত হিসেবে ২৬৪ রান বিস্ময়েরই জন্ম দিয়েছে।

৭। ভিভ রিচার্ড ১৯৮৭ সালে নিউজিল্যান্ডের সাথে ১১৯ রান করার পাশাপাশি বল হাতে ৫ উইকেট শিকার করে বিস্ময়ের জন্মদেন। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে সেঞ্চুরী ও ৫ উইকেট পাওয়ার ঘটনা মাত্র একটিই।

৮। তাইজুল ইসলাম ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের সাথে অভিষেক ম্যাচেই হ্যাট্রিক সহ ৪ উইকেট শিকার করে বিস্ময়ের জন্ম দেন। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে অভিষেকে এটিই একমাত্র হ্যাট্রিকের ঘটনা।

৯। টি২০ ক্রিকেটের জন্য দলীয় ১৭২ রানই যথেষ্ট, কিন্তু জয়ই যদি হয় ১৭২ রানে, তখন তা বিস্ময়েরই জন্ম দেয়। ২০০৭ সালে টি২০ ১ম বিশ্বকাপে কেনিয়ার সাথে ২৬০ রান করেন শ্রীলংকা। জবাবে কেনিয়া ৮৮ রানে অলআউট হলে শ্রীলংকা ১৭২ রানে জয়লাভ করে।

১০। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সাথে মাত্র ১২ বলে ফিফটি স্টুয়ার্ট ব্রডের এক ওভারে ৬টি ছয় মারেন যুবরাজ সিংহ, যা আজও রেকর্ড হিসেবে বিদ্যমান আছে।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

অবনী বাড়ি নেই (গল্প)

ইসরাত তানিয়া গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র রায়হান আলী। এটুকু লিখেই রায়হান আলীর নামটা কালো রেখা টেনে …