A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > ক্যাম্পাস > ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসে গঠিত হয়নি তদন্ত কমিটি : ফাঁস হয়নি দাবি প্রশাসনের , প্রতিবাদলিপি প্রেরণ
Mountain View

ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসে গঠিত হয়নি তদন্ত কমিটি : ফাঁস হয়নি দাবি প্রশাসনের , প্রতিবাদলিপি প্রেরণ

 

ঢাবি প্রতিবেদক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভূক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন পরীক্ষার আগের রাতেই ফাঁস হয়ে যায়। আর ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দিয়েই অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ (স্নাতক) সম্মান শেণির ভর্তি পরীক্ষা। প্রশ্ন ফাঁসের দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন তদন্ত কমিটি গঠন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরীক্ষার আগের রাতেই প্রশ্ন ফাঁসের যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ রিপোর্টারের কাছে থাকলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।

 

প্রশ্নফাঁসের দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি মানতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’ নামে একটি ফেইসবুক গ্রুপে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন জানিয়েছেন তারা।

পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবার পরে জালিয়াতির দায়ে আটককৃতদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের অনেকেই পরীক্ষার আগের রাতেই ইংরেজি অংশটির প্রশ্ন পেয়ে যান। তাছাড়া, পরীক্ষার দিন সকালে অনেক শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় প্রশ্নের উত্তর মুখস্ত করতে দেখা যায়। এ কারণে পরীক্ষার দিন অনেক শিক্ষার্থী ১০/১৫ মিনিট পরে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেন। যদিও পরীক্ষার হলের গার্ডকে তারা বলেছিলেন, বৃষ্টির জন্য দেরি হয়েছে। এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতেই ই-মেইল ও ফেইসবুকে অনেক শিক্ষার্থীর হাতে প্রশ্ন চলে আসে। পরীক্ষা শেষে অনুষ্ঠিতব্য প্রশ্নের সঙ্গে আগের রাতে পাওয়া প্রশ্নপত্রের হবহু মিল পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে রাতেই অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। প্রশ্ন লাগলে ফোনে যোগাযোগ করেন। আর এই প্রশ্ন ফাঁসের পেছনে লক্ষ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও জানা গেছে।

 

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরে দশটি কেন্দ্র থেকে এটিএম কার্ডের মতো দেখতে ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতি করায় ১৫ জনকে আটক করা হয়। আটককৃত ১০ জনের সঙ্গে এই প্রতিবেদকের কথা হয়। তারা জানান, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষায় জালিয়াতের বিষয়ে তারা মিটিং করে। সেখানে সবাই ছিল অপরিচিত। তারা জানান, প্রত্যেক গ্রুপে ৮-১০ জন সেই মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। একজন বলছেন, আমাদের ১০ জন গ্রুপের একটি মিটিং হয়েছে। আর এই ১০ জনের মধ্যেই কেবল আমি ধরা খেয়েছি। বাকি নয় জন জালিয়াতি করে ধরা খায়নি।

এ বছর ঘ ইউনিটে ১ হাজার ৬১০টি আসনের বিপরীতে ৯৮ হাজার ৫৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করে। অর্থাৎ প্রতি আসনের বিপরীতে লড়েছে প্রায় ৬০ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। তীব্র এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হওয়ায় উদ্বীগ্ন অনেক শিক্ষার্থী। প্রশ্ন ফাঁসের খবর পত্রিকার পাতায় দেখে কান্নায় ফেঁটে পড়েন অনেকে।

 

এদিকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। তিনি ইমেইলে পাঠানো বার্তায় বলেন, যে প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন প্রণয়ন ও মুদ্রণ হয় তা এতোটাই গোপনীয়তার মাধ্যমে করা হয় প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোন সুযোগ থাকে না। বেশকয়েকটি গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী আগের রাতে তাঁদের কাছে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র পৌছে থাকলেও সে বিষয়ে পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত তাঁরা প্রশাসনকে অবহিত না করে সুষ্ঠভাবে পরীক্ষা শেষ হবার কয়েক ঘন্টা পর সংবাদ আকারে প্রকাশ করেছেন। এভাবে সংবাদ প্রকাশ করায় আমরা বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন হয়েছি এবং প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

ইবির পাঁচ মেধাবী শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বরাবরই মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। সেই …