বৃহস্পতিবার , মে ২৪ ২০১৮, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > সারাবিশ্ব > বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও বাক স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ
Mountain View

বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও বাক স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও বাক স্বাধীনতায় সরকারি নিয়ন্ত্রণের বিষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৭ সালে বাংলাদেশে বাক স্বাধীনতায় উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধতা ছিল বলে গত শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কংগ্রেশন্যাল-ম্যান্ডেটেড হিউম্যান রাইটস রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।এতে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টিও স্থান পেয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাসহ সংবিধানে বাক-স্বাধীনতার অধিকার দেওয়া হয়েছে কিন্তু সরকার অনেক সময় এই অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ব্যর্থ হয়। ওই সময়ে বাক-স্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা ছিল উল্লেখযোগ্য। অনেক সাংবাদিক হয়রানি ও রোষাণলের ভয়ে সরকারের সমালোচনার ক্ষেত্রে স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপ আরোপ করছেন বলে উল্লেখ করা হয় উক্ত প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মানবাধিকার ইস্যু ছিল সরকারি নিরাপত্তাবাহিনী কর্তৃক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, বেআইনি আটক ও গুম এবং নাগরিক স্বাধীনতায় বিধিনিষেধ।সংবিধানের সমালোচনাকে রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে সংবিধানে গণ্য করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অপরাধের শাস্তি তিন বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

২০১৬ সালে অনেক বড় মাপের নেতা ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি নেতা খালেদা জিয়া, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মাহমুদুর রহমান মান্না ও সাংবাদিক কনক সারওয়ার। সরকার মান্না ও সারওয়ারের বিরুদ্ধে মামলা চালায়নি।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, অনেক মুক্ত সাংবাদিক অভিযোগ করেছেন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রভাবে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করছে। বেসরকারি কোম্পানিগুলোকেও বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করতে এসব সংস্থা চাপ দিচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসরকারি মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম ভিন্ন মত ধারণ করে। তবে রাজনৈতিক পক্ষপাত ও স্বআরোপিত সেন্সরশিপ এখনও একটি সমস্যা। বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করে সংবাদমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণে সরকার বিজ্ঞাপনকে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংস আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। দৃশ্যত তা আন্তর্জাতিক সহিংস চরমপন্থা দ্বারা অনুপ্রাণিত। এ ছাড়া অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণও রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে ১১ নভেম্বরের একটি সংবাদের কথা তুলে ধরা হয়েছে। ওই খবরে বলা হয়েছে, ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করে দেওয়া ফেসবুক পোস্টের গুজবে রংপুরে স্থানীয় মুসলমানরা ৩০ হিন্দু বাড়ি ভাঙচুর ও জ্বালিয়ে দেয়।

এনজিওদের মতে, বাংলাদেশে বর্ণ ও ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বাগুলো বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, অনেক দলিতের (নিম্ন বর্ণের হিন্দু) ভূমি, পর্যাপ্ত আবাসন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুবিধা বঞ্চিত।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

দেখা মিলেছে সৌদি যুবরাজের!

নিউজ ডেস্ক,বিডি টোয়েন্টিফোর টাইমসঃ প্রায় একমাস ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে থাকার পর প্রকাশ্য কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন …