A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ > রাজনীতি > ঐতিহাসিক ৭ জুন ৬-দফা দিবস পালনের আহবান
Mountain View

ঐতিহাসিক ৭ জুন ৬-দফা দিবস পালনের আহবান

রাজনীতি ডেস্ক,বিডি টোয়েন্টিফোর টাইমসঃ আসছে ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬-দফা দিবস পালনের আহ্বান জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। বুধবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাঙালির মুক্তির সনদ হচ্ছে ৬-দফা। ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব পেশের মাধ্যমে যেমনি পাক ভারত উপমহাদেশের জনগণ ব্রিটিশ শোষকদের এদেশ থেকে তাড়ানোর জন্য ঐকমত্য হয়েছিল, ঠিক তেমনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ সালের এইদিনে ঘোষিত ৬-দফাকে তৎকালীন পূর্ববাংলার জনগণ পশ্চিমাদের এদেশ থেকে তাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছিল।

আরও জানানো হয়, আইয়ুব খানের মার্শাল ল’ শাসন, ’৬২-এর শিক্ষানীতিসহ সকল অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং পূর্ব বাংলার জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজকের এইদিনে ৬-দফা ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে এই ৬-দফার প্রতিটি দফা বাংলার আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে বাংলার জনগণের সামনে তুলে ধরেন। বাংলার সর্বস্তরের জনগণ এই ৬-দফা সম্পর্কে যখন সম্যক ধারণা অর্জন করলো এবং গ্রহণ করলো তখনই ৬-দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলো।

আইয়ুব খানের পতন, ১৯৬৯ এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে জাতির পিতাসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তি আন্দোলনের প্রধান দাবি ছিল এই ৬-দফা। ৬-দফা ভিত্তিক ১১-দফাছিল উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের দাবিনামা। সর্বোপরি ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব বাংলার জনগণ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মনোনীত প্রার্থীদের একচেটিয়া রায় প্রদান করে বাঙালির মুক্তির সনদ ৬-দফা বাস্তবায়নের লক্ষে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করার পরও পশ্চিম পাকিস্তানিরা যখন সরকার গঠনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য গড়িমড়ি শুরু করলো তখনই মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ভাষণের মাধ্যমে।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণেও ৬-দফার প্রতিটি দফার পর্যালোচনা ছিল। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকার বিভিন্ন সেক্টরের মাধ্যমে যুদ্ধ পরিচালনা করার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়েছিল ৬-দফার ভিত্তিতে। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ৬-দফার ভূমিকা অপরিসীম। এই কারণে প্রতি বছর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৭ জুন ‘৬-দফা দিবস’টিকে যথাযোগ্য মর্যাদার পালন করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সমগ্র জাতির সাথে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এই দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মরণ ও পালন করবে।

৬-দফা দিবস উপলক্ষে নিম্নবর্ণিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ।

এদিন সূর্যউদয় ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন, কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। এবং সকাল ৯-৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আগামী ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬-দফা দিবস পালনে সবাইকে আহবানও জানিয়েছেন।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

খালেদা জিয়া কেন সেনাবাহিনীর হাসপাতালকে বিশ্বাস করেন না: প্রশ্ন কাদেরের

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সরকারের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় দফায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসা …